
প্রিয় নবির জীবনকে আমরা দুইভাগে ভাগ করে নিই। তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে।
১. মাক্কী জীবন
২. মাদানী জীবন
ইসলামের ইতিহাস, সীরাত এবং কুরআনের নাজিলের ক্রমানুসার সহজে বুঝাতে নবি সাঃ এর জীবনকে মাক্কী পর্যায় এবং মাদানী পর্যায় নামে বিভক্ত করা হয়। এতে ইসলামের বিকাশধারা স্পষ্ট বোঝা যায়।
কেন আমরা “মাক্কী জীবন” ও “মাদানী জীবন” বলি?
নবি জীবনের দুই ভিন্ন সময়—দুই ভিন্ন ভূমি
নবি মুহাম্মদ ﷺ তাঁর নবুওতের ২৩ বছরের জীবনের প্রথম অংশ কাটিয়েছেন মক্কায়, আর দ্বিতীয় অংশ কাটিয়েছেন মদিনায়।
এই দুই শহরের পরিবেশ, সমাজ, দায়িত্ব, সংগ্রাম ও দাওয়াতের ধরন ছিল সম্পূর্ণ আলাদা।
তাই ঐতিহাসিকভাবে তাঁর জীবনকে দুই ভাগে বিভক্ত করে অধ্যয়ন করা সহজ হয়।
১. মাক্কী জীবন : নবুওয়াত , ইসলামের দাওয়াত, ধৈর্য ও নির্যাতনের সময়। মোট ১০ বছর ।
- ইসলামের বীজ রোপিত হয়,
- তাওহীদের দাওয়াত শুরু হয়,
- মুসলিমরা শারীরিক ও সামাজিক নির্যাতন সহ্য করে,
- অধিকাংশ দাওয়াত ছিল ঈমান, আকীদা ও নৈতিকতার ওপর।
২. মাদানী জীবন : মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন নবি সাঃ তাঁর সাহাবীদের নিয়ে। এরপর যতদিন মদিনায় ছিলেন সেই জীবনকে মাদানী জীবন বলে। এই সময়টা ছিল ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও ইসলামের বিজয়। মোট ১৩ বছর।
মদিনায় হিজরতের পর:
- মুসলিমদের নিজস্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়,
- যুদ্ধের অনুমতি আসে,
- আইন, সমাজ, পরিবার, অর্থনীতি সম্পর্কে বিধান নাজিল হয়,
- ইসলামের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো গঠিত হয়।
- ইসলামের বিজয়