
প্রিয় নবি মুহাম্মাদ ﷺ হলেন ইসলামের শেষ নবি। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মানব এবং সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত নবি। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তাঁকে পাঠিয়েছেন পুরো পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের জন্য।
আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জাতির কাছে নবি ও রাসুল পাঠিয়েছেন— যেমন: নুহ (আ.), ইবরাহিম (আ.), মুসা (আ.), ঈসা (আ.)—এবং আরও বহু নবী ও রাসুল। তাঁদের প্রত্যেককে পাঠানো হয়েছিল নির্দিষ্ট কিছু জাতির জন্য, নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য।
নোট – তুমি হয়তো ভাবছো আমি কেন মুহাম্মদ সাঃ কে একবার নবি আবার একবার রাসুল বলছি তাই না? চলো নতুন কিছু শিখি আজকে।
নবি ও রাসূলের পার্থক্য
নবি (نبي) কে?
নবি হলেন সেই ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে মানুষের হিদায়াতের জন্য পাঠিয়েছেন, কিন্তু তাকে নতুন কোন কিতাব দিয়ে পাঠানো হয়নি।
নবিগন সাধারণত আগের রাসূলের কিতাব অনুসরণ করে মানুষকে পথ দেখান।
উদাহরণ:
- হযরত হারুন (আ.) — তিনি নবী ছিলেন, কিন্তু তাঁকে নতুন কিতাব দেয়া হয়নি তাই তিনি রাসুল নন।
রাসূল (رسول) কে?
রাসূল হলেন সেই ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে মানুষের হিদায়াতের জন্য পাঠিয়েছেন, এবং তাকে নতুন কিতাব দিয়েছেন মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকার জন্য।
রাসূলদের দায়িত্ব ছিল মানুষের কাছে আল্লাহর বার্তা স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া।
উদাহরণ:
- হযরত নূহ (আ.)
- হযরত মূসা (আ.)
- হযরত ঈসা (আ.)
- মুহাম্মদ সাঃ
তোমার জন্য সংক্ষেপে বলি- নবিদের উপর আসমানি কিতাব নাযিল হয়নি আর রাসুলদের উপর কিতাব নাযিল হয়েছে। প্রতেক রাসুলকে নবিও বলা যাবে কিন্তু একজন নবি রাসুল নন। তাই মুহাম্মদ সাঃ একজন নবি ও রাসুল কারন তাঁর উপর কুরআন নাযিল হয়েছে। বোঝা গেল?
চলো প্রিয় নবির জীবন কন্টিনিউ করি।