
যেসব সম্পদ ১ বছর বছর ধরে থাকে এবং নিসাব পরিমাণে পৌঁছে যায়—সেসবের ওপর যাকাত ফরজ হয়।
নিসাব – যাকাত যোগ্য সম্পদের হিসাবের একক।
নিচে একে একে ব্যাখ্যা করা হলো—
১. নগদ টাকা (Cash Money)
- বাড়িতে থাকা টাকা
- ব্যাংকে থাকা টাকা
- মোবাইল ব্যালেন্স/বকশিস/অনলাইন মানি (Bkash, Nagad, Rocket)
- সঞ্চয় যেকোনো ফর্মে
সব ধরনের নগদ টাকায় ২.৫% হিসাবে যাকাত ফরজ।
২. সোনা (Gold)
সোণায় যাকাত ফরজ হবে যদি—
নিসাব (Nisab of Gold)
৮৭.৪৮ গ্রাম বা তার বেশি সোনা থাকলে।
এটির যাকাত = ২.৫%
৩. রূপা (Silver)
রূপায় যাকাতের নিসাব—
৬১২.৩৬ গ্রাম রূপা
রূপায় যাকাত = ২.৫%
৪. ব্যবসার সম্পদ (Business Goods)
- দোকানের মাল
- স্টক/গুদাম
- ব্যবসার পুঁজি
- কাঁচামাল
সব ব্যবসার সম্পদের মোট বাজারমূল্যের ওপর ২.৫% যাকাত।
৫. বিনিয়োগ / Shares / Stocks
শেয়ার ব্যবসা করলে—
- ব্যবসার উদ্দেশ্যে থাকলে পুরো মূল্য
- দীর্ঘমেয়াদী ইনভেস্টমেন্ট হলে শুধুমাত্র লভ্যাংশ
সবকিছু মিলিয়ে ২.৫%।
৬. ভাড়ার সম্পত্তি
বাসা-বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান যাকাতযোগ্য নয়।
➡ তবে ভাড়া থেকে পাওয়া টাকা ১ বছর হলে যাকাত দিতে হবে।
৭. কৃষি উৎপাদন
- বৃষ্টির পানি / নদীর পানি → ১০%
- সেচে পানি ব্যবহার করলে → ৫%
৮. গবাদি পশু (Livestock)
উট, গরু, ছাগল—প্রকৃত পশুপালন হলে ইসলামের নির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী যাকাত রয়েছে।